সিনেমা এবং গানরে একলগে করলেও তার থিকা বড়ো ইন্ডাস্ট্রি দাড়ায় ভিড্যু গেইমের। সেইখানে অল্পকিছু লোক একাএকা দাড়ানোর সাহস দেখায়। একা কিংবা দুইতিনজনে মিলা গেইমের অ্যাসেট, অ্যানিমেশান, মেকানিক্স – সব তৈয়ার কইরা ফেলে; সংক্ষেপে এরে বলে ইন্ডি গেইম বা ইন্ডিপেন্ডেন্ট গেইম।

ইলেক্ট্রনিক আর্ট, ইউবিসফ্ট বা টুকের মতোন তাবত কোম্পানির লাইগা যে কাজ আরামের, ইন্ডিপেন্ডেন্ট গেইম মেকারদের লাইগা তা ততোই জটিল। তেনারা গেইম ডেভেলপমেন্টের লগে লগে আরো নানাবিধ ফাইটে লিপ্ত থাকেন। ফান্ড নিয়া টানাটানি, বারবার রিলিজ ডেইট ছুইটা যাওয়া, মাইক্রোসফ্টের মতোন মোড়লদের সামলায়ে চলতে গিয়া কেউ কেউ ‘সোশাল’ হইতে ভুইলা যান, কেউ হাসতে হাসতে কইয়া ফালান – এইদফায় গেইম ক্লিক না করলে মরা ছাড়া গতি নাই।
সাধারণত আমরা আমাদের বাইড়া ওঠার সময় পাশ্চাত্যের বুড়ে যাওয়া গেইমগুলো খেইলা বড়ো হইছি। তাই পপ কালচারে ভিড্যু গেইমের আবেদন কতোটা, সেইটা বুঝা আমাদের জন্য কঠিন। কম্পুটার সায়েন্সের নয়া কোনো দুনিয়ার খোঁজ পাইতে ইন্ডি গেইম জরুরী একটা ডকুফিল্ম এবং ওয়েল মেইড; নার্ড এবং আউলা ডিজাইনারগো স্ক্রীণের পেছনের আবেগ ধরা হইছে ক্যামেরায়।